
হৃদরোগ: ওজন বেশি হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি এবং হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস: অতিরিক্ত ওজন টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। এই রোগটি শরীরের ইনসুলিন ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে।
অস্টিওআর্থ্রাইটিস: ওজন বেশি হলে হাঁটু, নিতম্ব এবং মেরুদণ্ডে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সৃষ্টি করতে পারে।
ঘুমের সমস্যা: অতিরিক্ত ওজন ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে এবং স্লিপ অ্যাপনিয়া সহ বিভিন্ন ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ক্যান্সার: কিছু প্রকারের ক্যান্সারের (যেমন স্তন, কোলন, এবং প্রস্টেট ক্যান্সার) ঝুঁকি বেশি ওজনের সাথে সম্পর্কিত।
মনোরোগ: ওজন বেশি হলে বিষণ্নতা এবং উদ্বেগের মতো মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গর্ভাবস্থা সমস্যা: গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজনের কারণে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন প্রি-এক্লাম্পসিয়া, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এবং প্রিম্যাচুর ডেলিভারি।
ওজন কমানোর মাধ্যমে এই সমস্ত ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
Follow Habibur Rahman to stay updated on their latest posts!
0 comments
Be the first to comment!
This post is waiting for your feedback.
Share your thoughts and join the conversation.